Summary
ই-বিজনেস কৌশল হলো একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা যা একটি প্রতিষ্ঠানকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সব পক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে সাহায্য করে। আলফ্রেড চ্যান্ডলারের মতে, "E-business strategy is the determination of the basic long term goals and objectives of an enterprise."
ই-বিজনেসের কৌশলসমূহ হল:
- কর্পোরেট স্তরের কৌশল: এটি সর্বোচ্চ স্তরের কৌশল যেখানে ই-বিজনেস ফার্মের সবকিছু অন্তর্ভুক্ত থাকে। এ স্তরে সিইও এবং উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে অংশগ্রহণ করেন।
- ব্যবসায় একক কৌশল: এখানে পৃথক পৃথক ব্যবসায় এককের জন্য বিভিন্ন কৌশল গ্রহণ করা হয়। এটি নতুন গ্রাহক আকর্ষণের জন্য কার্যকর।
- পরিচালনাগত কৌশল: এটি ফার্মের উদ্দেশ্য অর্জনের জন্য জড়িত ব্যক্তিদের, প্রক্রিয়া এবং সম্পদের সাথে সম্পর্কিত। এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হয় ওয়েবসাইট ডিজাইন, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার প্রয়োজনীয়তা এবং লজিস্টিকস প্রক্রিয়া।
ই-বিজনেস কৌশল হলো এক ধরনের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা, যার মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠান যথাযথভাবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে সকল পক্ষের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারে। এ প্রসঙ্গে Alfred Chandler বলেন, "E-business strategy is the determination of the basic long term goals and objectives of an enterprise." নিচে ই-বিজনেস-এর কৌশলসমূহ বর্ণনা করা হলো-
১. কর্পোরেট স্তরের কৌশল ( Corporate level strategy): সর্বোচ্চ স্তরের কৌশলই হলো কর্পোরেট স্তরের কৌশল, যেখানে একটি ই-বিজনেস ফার্মের সবকিছু সম্পৃক্ত। এ স্তরে সাধারণত সিইও (Chief executive officer) এবং উচ্চ পর্যায়ের ব্যবস্থাপকগণ (Top level manager) সার্বিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সম্পৃক্ত থাকেন ।
২. ব্যবসায় একক কৌশল ( Business unit strategy): এক্ষেত্রে প্রাথমিক পর্যায়ে এক একটি ব্যবসায় এককের জন্য ভিন্ন ভিন্ন কৌশল গ্রহণ করা হয়ে থাকে। ই-বিজনেস প্রক্রিয়ায় নতুন নতুন গ্রাহক আকর্ষণে এ ধরনের কৌশল কার্যকর ভূমিকা রাখে।
৩. পরিচালনাগত কৌশল ( Operational strategy): পরিচালনাগত কৌশল হলো একটি ই-বিজনেস ফার্মে যারা জড়িত (যেমন— বিভিন্ন ব্যক্তি, প্রক্রিয়া ও সম্পদ) তাদের নিয়ে ফার্মের উদ্দেশ্য অর্জন করা। ই-বিজনেস প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো— ওয়েবসাইট ডিজাইন, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যার এর প্রয়োজনীয়তা এবং লজিস্টিকস প্রক্রিয়া।
Read more